Posts

হেরেই জয়ের ইচ্ছা দ্বিগুন করুন আমরা প্রতিনিয়ত হেরে যাই, হেরে গিয়ে জয়ের ইচ্ছাকে দ্বিগুন করতে পারি না। স্বপ্নের সাথে আমরা এগিয়েই যেতে পারবো জিনিসটা এমন হয় না সব সময়। আমরা জয় আশা করে জয়ই পেয়ে যাবো এমনটা হয় না। আমাদের জয়ের পিছনের গল্পটাও মাথায় রাখা উচিত, তার জন্য সব সময় একটা জিনিসই উপেক্ষা করতে হবে সেটা হলো হতাশা। এমনটা আমরা প্রতিনিয়ত শুনেই থাকি কিন্তু কয়জন আছি যারা এই বুলি গুলি ধারণ করে নিজেকে সে লক্ষে পৌছাতে পারি? আপনি আজ যার সাথে যেভাবে প্ল্যান করবেন সে হয়তো সেভাবে সারা দিবে না, কিন্তু আপনি তার সারা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন, এমন ভাবনাটাও আবার সেই বোকামি ছাড়া কি আর কিছু নয়। নিজ উদ্যমে নিজের লক্ষে পৌছানোর জন্য ত্যাগ জিনিসটা বারবার আনতে হবে নিজের মধ্যে। ত্যাগ করুন কিন্তু লক্ষের পথ থেকে এতটকু না সরে। বিশ্বাস করুন আপনার মাঝেও সে প্রতিভাই রয়েছে যেখানে হাজারো মনিষি নামক ব্যাক্তিরা নাম লিখে গেছেন স্বার্থকতার। আপনিও পৌছাতে পারবেন সেখানে যদি সেই দৃড় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েই আপনার লক্ষের পথে না হেটে দৌড়াতে থাকুন। প্রতিযোগি বেশি এটা যেমন মানতে হবে তেমনি মানতে হবে আপনার কোয়ালিটি তার থেকে কম নয় বরং বেশিই আছে,...
সম্মান করেই সম্মানের আশা করুন। আমরা চা'য়ের দোকানে বসে খুব সুন্দর কথা বলতে পারি। নিন্দাটাও কম যে পারি তা না। ঐ মেয়েটা এখন আর সালাম দেয় না, ছোট পোষাক পরতে শুরু করছে, ফোনে সব সময় কথা বলে ইত্যাদি ইত্যাদি আরো অনেক কিছুই বলে থাকি। সমাজে প্রতিনিয়ত এমন সব ঘটনা ঘটেই চলছে আমরা বাধা না দিয়ে বরং অজানা আনন্দ উপভোগ করি। প্রতিটা নারীই চায় অভয়া হয়ে বাঁচতে সেটা আর পারে কোথায় ? আমরা বাঁচতে দিচ্ছি না তাদের, আমি এটাই বলবো। আপনি কি বলবেন ভাবোন, ভেবে উত্তরটা নিজের মাঝে গেথে নিন। কেন কথা বলবে না ফোনে, বলুন?! সমাজে কি তার কথা বলার অধিকার নেই?! বন্ধু আপনার থাকবে পুরুষ বলে তার কি থাকতে পারে না? পোষাক কখনোই বাঁচাতে পারবে না যদি আমার দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন না করি। ওটুকু একটা মেয়ে কি পরছে তার দিকে মন দেয়ার পরও সালাম আশা করি? সম্মান করার জায়গা লাগে। আর সেটা আমরা তৈরী করতে পারিনা।
চিন্তা বদলান সব বদলে যাবে... আমরা সমাজ থেকে কি পেলাম এটা আমাদের একটা মৌলিক চাহিদা বানিয়ে নিয়েছি। আসলে আমরা কখনো ভাবি না যে আমরা সমাজে কি দিয়েছি। আমরা সমাজ থেকে পেতে পারি হাসিমুখে কিন্তু সমাজ কিছু চাইলেই যত ঝামেলা। একটা সমাজ চায় সবসময় নারীরা যাতে সম্মানে বাচতে পারে। আমরা আর তা করতে দেই না। আমরা কোনো না কোনো ভাবে অবহেলা করেই থাকি হোক সেটা ইচ্ছা কিংবা অনিচ্ছায়। আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবো, "নারীরা খুব দ্রুত আস্থার মানুষ খুজে নিতে পারে"। আমার চাহনী কিংবা মনোভাবেই সে বিচার করে নিতে পারে আমার মনোষত্বকে। চাহিদা থাকতেই পারে, তবে সেটা অনিচ্ছাকে ফাদে ফেলে পূর্ণ করাটা পুরুষত্ব নয়। 
আমরা বাঙালী নাকি কাঙালী? সারা বিশ্বে আমরা ভোজনরসিক নামেই পরিচিত। আমরা খুব সুন্দর করে খেতে পারি আর সাথে খাওয়াতেও। প্রশ্ন জাগছে খাওয়াতেও মানেটা? আসলে আমরা বাঙালী জাতি শুধু শোষণ হয়েই আসছি। আর সেটা আমাদের কিছু লোভী আগাছা জাতিয় মানুষের জন্য। উপরে ফেলুন আগাছা আর ফিরে আসি সুশীল সমাজ। আমরা বাঙালী নারীরাও রূপে সবার থেকে আলাদা। কিন্তু সেটা আজ নিরাপদ থাকছে না কিছু মৌলবাদের উষ্কানিমূলক কথাতে। চিন্তা ভাবনা বদলান সমাজে এগিয়ে যাবে সাথে নারীরাও। আমরা বাঙালী থাকতে চাই কাঙালী না।